প্রেরণাদায়ী (৫ম পর্ব)

  ·   2 min read   ·   This content is old and may be outdated

একবার কতগুলো ব্যাঙ একটা গভীর কূপের একেবারে কাছ দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ করে দুইটা ব্যাঙ পিছলে গিয়ে কূপের ভিতর পড়ে গেল। বাকি সব ব্যাঙ কূপের চারপাশে ভিড় জমাল। কিন্তু কূপটা এতটাই গভীর ছিল যে তারা উদ্ধারের কোন আশা দেখতে পেল না। তাই তারা বলতে লাগল,“আশা নাই, আশা নাই।”

চিপায় পড়া দুই ব্যাঙ তাদের প্রতি কর্ণপাত না করে লাফিয়ে কূপ থেকে বের হবার চেষ্টা করতে লাগল। তা স্বত্ত্বেও উপরের ব্যাঙগুলো চিৎকার করে বলতে লাগল,“আশা নাই, আশা নাই।”

এতটা নিরুৎসাহিকরণের পরে আর কার উৎসাহ থাকে? চিপায় পড়া দুই ব্যাঙের একটার ঠিক সেই অবস্থাই হল। নিরুৎসাহিত হয়ে সে লাফালাফি বন্ধ করে দিল। কিন্তু অন্য ব্যাঙটি থামল না, সে চেষ্টা করেই যেতে লাগল। এটা দেখে উপরের ব্যাঙগুলো আবার বলল,“আশা নাই, আশা নাই।”

কিন্তু সে থামল না বরং, অনেক চেষ্টার পর কূপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারল। যখন সে বেরিয়ে এল তখন অন্যান্য ব্যাঙগুলো তাকে জিজ্ঞেস করল,“ক্যামনে সম্ভব ম্যান?”

সেই ব্যাঙটি ব্যাখ্যা করল, সে কানে কম শোনে এবং সে ভেবেছিল যে তারা তাকে উৎসাহ দিচ্ছে।

সারকথা: আমাদের একজনের কথা অন্যজনের উপর দারুণ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কথা বলার আগে ভেবে দেখা উচিত তা বলা ঠিক হবে কিনা। অপরপক্ষে, অন্যের কথায় কান দিয়ে নিজের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হওয়া উচিত নয়। কঠিন চেষ্টা আর অধ্যবসায়ের মাধ্যমে যেকোন অসম্ভবকেই সম্ভব করা যায়। কারণ, অসম্ভবকে সম্ভব করাই অধ্যবসায়ীর কাজ।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রচলিত বিদেশি ভাষার গল্প থেকে গল্পটিকে অনুবাদ করেছি আমি। আর কপি-পেস্ট না করে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।